<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ইসলাম ও আমরা</title>
	<atom:link href="http://pchelplinebd.com/Islam/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://pchelplinebd.com/Islam</link>
	<description>...নিজে জানছি, অন্যকে জানাচ্ছি</description>
	<lastBuildDate>Fri, 17 May 2013 13:45:31 +0000</lastBuildDate>
	<language>bn-BD</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.5.1</generator>
		<item>
		<title>আত্মার চিকিৎসাও জরুরি</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4055</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4055#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 May 2013 11:04:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[কুরআন ও হাদিস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4055</guid>
		<description><![CDATA[শরীরে যেকোনো অসুখ হলে আমরা ছুটে যাই বিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে সুচিকিৎসা করাতে। হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা খরচ করি। ৮০-৯০ বছর বয়সে রোগশয্যায় শায়িত বৃদ্ধজনকেও এক মুহূর্ত বাঁচিয়ে রাখতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়। অথচ আত্মার পরিশুদ্ধকরণে আমরা সত্যি বেখেয়াল। কেউ একবারও ভাবি না, কেন সৎ কাজ আমার ভালো লাগে না, সৎ কাজের পরামর্শ দিতে ভালো লাগে না। মুমতাহিনা আরেফিন শুধু শরীর নয়, আত্মা তথা অন্তরকে পবিত্র, সতেজ ও রোগমুক্ত রাখা ইমানের দাবি। অন্য সব রোগের মতোই আত্মার জন্যও ওষুধ আছে। কোরআন শরিফ তেলাওয়াত করলে অন্তরের ময়লা দূর হয়। জিকির করলে আত্মা সুস্থ থাকে। ডাক্তাররা শরীরের নানা দিক নিয়ে চিকিৎসা করলেও আত্মার রোগ চিহ্নিত করা, এর চিকিৎসা করা এবং একে সতেজ রাখার কাজটি মূলত করেন ধর্মীয় অঙ্গনের আধ্যাত্মিক মনীষীরা। প্রত্যেকেরই উচিত, যোগ্য ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব বাছাই করে তার মাধ্যমে আত্মাকে পরিপুষ্ট রাখতে চেষ্টা করা। অন্য যেকোনো রোগের চেয়ে এটি বেশি ভয়ংকর এই কারণে যে এ রোগের মাসুল আপনাকে দুনিয়ার পাশাপাশি আখিরাতের অনন্তকালের জীবনেও দিতে হবে। শরীরে যেকোনো অসুখ হলে আমরা ছুটে যাই বিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে সুচিকিৎসা করাতে। হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা খরচ করি। ৮০-৯০ বছর বয়সে রোগশয্যায় শায়িত বৃদ্ধজনকেও এক মুহূর্ত বাঁচিয়ে রাখতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়। অথচ আত্মার পরিশুদ্ধকরণে আমরা সত্যি বেখেয়াল। কেউ একবারও ভাবি না, [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শরীরে যেকোনো অসুখ হলে আমরা ছুটে যাই বিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে সুচিকিৎসা করাতে। হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা খরচ করি। ৮০-৯০ বছর বয়সে রোগশয্যায় শায়িত বৃদ্ধজনকেও এক মুহূর্ত বাঁচিয়ে রাখতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়। অথচ আত্মার পরিশুদ্ধকরণে আমরা সত্যি বেখেয়াল। কেউ একবারও ভাবি না, কেন সৎ কাজ আমার ভালো লাগে না, সৎ কাজের পরামর্শ দিতে ভালো লাগে না। </strong><br />
<a href="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/convert-in-islam.jpg"><img src="http://i1.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/convert-in-islam.jpg?resize=640%2C432" alt="convert in islam," class="aligncenter size-full wp-image-4056" data-recalc-dims="1" /></a><br />
<strong>মুমতাহিনা আরেফিন</strong><br />
শুধু শরীর নয়, আত্মা তথা অন্তরকে পবিত্র, সতেজ ও রোগমুক্ত রাখা ইমানের দাবি। অন্য সব রোগের মতোই আত্মার জন্যও ওষুধ আছে। কোরআন শরিফ তেলাওয়াত করলে অন্তরের ময়লা দূর হয়। জিকির করলে আত্মা সুস্থ থাকে। ডাক্তাররা শরীরের নানা দিক নিয়ে চিকিৎসা করলেও আত্মার রোগ চিহ্নিত করা, এর চিকিৎসা করা এবং একে সতেজ রাখার কাজটি মূলত করেন ধর্মীয় অঙ্গনের আধ্যাত্মিক মনীষীরা। প্রত্যেকেরই উচিত, যোগ্য ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব বাছাই করে তার মাধ্যমে আত্মাকে পরিপুষ্ট রাখতে চেষ্টা করা। অন্য যেকোনো রোগের চেয়ে এটি বেশি ভয়ংকর এই কারণে যে এ রোগের মাসুল আপনাকে দুনিয়ার পাশাপাশি আখিরাতের অনন্তকালের জীবনেও দিতে হবে।</p>
<p>শরীরে যেকোনো অসুখ হলে আমরা ছুটে যাই বিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে সুচিকিৎসা করাতে। হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা খরচ করি। ৮০-৯০ বছর বয়সে রোগশয্যায় শায়িত বৃদ্ধজনকেও এক মুহূর্ত বাঁচিয়ে রাখতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়। অথচ আত্মার পরিশুদ্ধকরণে আমরা সত্যি বেখেয়াল। কেউ একবারও ভাবি না, কেন সৎ কাজ আমার ভালো লাগে না, সৎ কাজের পরামর্শ দিতে ভালো লাগে না। দিন দিন আমরা এমনই গোমরাহির পথে ধাবিত হচ্ছি যে একজন আরেকজনের অনিষ্ট করতেই যেন সদা তৎপর! এ চিন্তাভাবনা আমাদের তখনই দূর হবে, যখন আমরা আত্মার সুচিকিৎসা করাতে পারব, মনকে পবিত্র করতে পারব। দৃঢ়তার সঙ্গে ইচ্ছা করলেই এটা সম্ভব। হাদিস শরিফের ভাষ্য অনুযায়ী, একজন মানুষের আত্মা ও অন্তর সুস্থ থাকলে তার বাকি সবই ঠিক হয়ে যায়। দুনিয়া এবং আখিরাত দুই জগতের কল্যাণই নিশ্চিত হয়। আল্লাহ পাক আমাদের অন্তরকে কলুষমুক্ত রাখুন। আমাদের আত্মায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ভালোবাসা মজবুত হোক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4055/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সাতটি গুণ কি আমাদের আছে?</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4051</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4051#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 May 2013 10:30:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[কুরআন ও হাদিস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4051</guid>
		<description><![CDATA[আল্লাহ্‌র প্রিয় বান্দা হওয়ার জন্য সাতটি গুন প্রয়োজনঃ হজরত আবুজর গিফারি (রা.) বলেন, মহানবী মুহাম্মদ (সা.) আমাকে সাতটি গুণ অর্জনে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। মাওলানা খাইরুল ইসলাম মল্লিক আমরা আল্লাহর বান্দা। তিনিই আমাদের সৃষ্টি করেছেন। লালন-পালন করছেন। দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী। আখিরাতের জীবন অনন্তকালের। সেই জীবনের শুরু আছে, শেষ বলে কিছু নেই। দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতেই আমাদের আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে হবে। এর বিকল্প নেই। তাঁর প্রিয় বান্দা হতে না পারলে দোজাহানেই কঠিন শাস্তি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হবে। কিভাবে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া যায়- এর তরিকা জানিয়ে দিয়েছেন প্রিয় রাসুল মুহাম্মদ (সা.)। তিনি সাহাবায়ে কেরামকে সাতটি গুণের কথা উল্লেখ করে এগুলো অনুশীলনের নির্দেশ দিয়েছেন। হজরত আবুজর গিফারি (রা.) বলেন, মহানবী মুহাম্মদ (সা.) আমাকে সাতটি গুণ অর্জনে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। তা হলো- ০১. গরিবদের সঙ্গে চলাফেরা করবে, তাঁদের ভালোবাসবে। ০২. নিজের চেয়ে যে বেশি গরিব, বেশি কষ্টে আছে, তাঁর কথা সব সময় বিবেচনা করবে। নিজের চেয়ে বেশি ধনী, অধিকতর সুখশান্তিতে আছে যারা- তেমন মানুষদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামবে না। ০৩. আত্মীয়স্বজন যদিও তোমার ন্যায্য হক দেয়নি, এমনকি তোমাকে অত্যাচার করলেও সব আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে হবে। ০৪. বেশি বেশি &#8216;লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি&#8217; আবৃত্তি করবে। ০৫. তিতা এবং যত কঠিনই হোক না কেন, সত্য কথা বলতে হবে। ০৬. আল্লাহর [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong> আল্লাহ্‌র প্রিয় বান্দা হওয়ার জন্য সাতটি গুন প্রয়োজনঃ হজরত আবুজর গিফারি (রা.) বলেন, মহানবী মুহাম্মদ (সা.) আমাকে সাতটি গুণ অর্জনে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। </strong><br />
<a href="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/salah-454.jpg"><img src="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/salah-454.jpg?resize=400%2C269" alt="salah 454" class="aligncenter size-full wp-image-4052" data-recalc-dims="1" /></a><br />
<strong>মাওলানা খাইরুল ইসলাম মল্লিক</strong><br />
আমরা আল্লাহর বান্দা। তিনিই আমাদের সৃষ্টি করেছেন। লালন-পালন করছেন। দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী। আখিরাতের জীবন অনন্তকালের। সেই জীবনের শুরু আছে, শেষ বলে কিছু নেই। দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতেই আমাদের আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে হবে। এর বিকল্প নেই। তাঁর প্রিয় বান্দা হতে না পারলে দোজাহানেই কঠিন শাস্তি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হবে। কিভাবে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া যায়- এর তরিকা জানিয়ে দিয়েছেন প্রিয় রাসুল মুহাম্মদ (সা.)। তিনি সাহাবায়ে কেরামকে সাতটি গুণের কথা উল্লেখ করে এগুলো অনুশীলনের নির্দেশ দিয়েছেন। </p>
<p><strong>হজরত আবুজর গিফারি (রা.) বলেন, মহানবী মুহাম্মদ (সা.) আমাকে সাতটি গুণ অর্জনে বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন। তা হলো-</strong><br />
<strong>০১.</strong> গরিবদের সঙ্গে চলাফেরা করবে, তাঁদের ভালোবাসবে।<br />
<strong>০২.</strong> নিজের চেয়ে যে বেশি গরিব, বেশি কষ্টে আছে, তাঁর কথা সব সময় বিবেচনা করবে। নিজের চেয়ে বেশি ধনী, অধিকতর সুখশান্তিতে আছে যারা- তেমন মানুষদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামবে না।<br />
<strong>০৩. </strong>আত্মীয়স্বজন যদিও তোমার ন্যায্য হক দেয়নি, এমনকি তোমাকে অত্যাচার করলেও সব আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে হবে।<br />
<strong>০৪.</strong> বেশি বেশি &#8216;লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি&#8217; আবৃত্তি করবে।<br />
<strong>০৫.</strong> তিতা এবং যত কঠিনই হোক না কেন, সত্য কথা বলতে হবে।<br />
<strong>০৬.</strong> আল্লাহর হুকুম পালন করতে গিয়ে কোনো ধরনের সমালোচনা ও তিরস্কারের পরোয়া করবে না।<br />
<strong>০৭.</strong> কারো কাছে ভিখারি বেশে গিয়ে কিছু চাইবে না।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4051/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ইউরোপের কোনো মসজিদের মিনার থেকে এই প্রথম আজান দেওয়া হলো</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4047</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4047#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 May 2013 10:17:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইসলামিক নিবন্ধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4047</guid>
		<description><![CDATA[সুইজারল্যান্ডের রাজধানী স্টকহোমের মসজিদ থেকে এখন শোনা যাবে আজানের ধ্বনি। সরকারিভাবে অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৬ এপ্রিল শুক্রবার স্টকহোমের ফিট্টাজা মসজিদের মিনার থেকে জুমার নামাজের আজান দেওয়া হয়। ইউরোপের কোনো মসজিদের মিনার থেকে এই প্রথম আজান দেওয়া হলো। জহির উদ্দিন বাবর সুইজারল্যান্ডের রাজধানী স্টকহোমের মসজিদ থেকে এখন শোনা যাবে আজানের ধ্বনি। সরকারিভাবে অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৬ এপ্রিল শুক্রবার স্টকহোমের ফিট্টাজা মসজিদের মিনার থেকে জুমার নামাজের আজান দেওয়া হয়। ইউরোপের কোনো মসজিদের মিনার থেকে এই প্রথম আজান দেওয়া হলো। স্টকহোমের মুসলিম অধ্যুষিত বটকিরকা পৌরসভার ইসলামিক কালচারাল সেন্টার গত বছর জুমার নামাজের জন্য মিনারের মাইক থেকে আজান দেওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ সর্বসম্মতিতে অনুমোদন করে এই আবেদন। শুক্রবার ইউরোপের কোনো মসজিদের মিনার থেকে প্রথম আজানের সাক্ষী হতে পুরো সুইডেন থেকে বহু মুসলমান ফিট্টাজা মসজিদে জড়ো হন। সুইডেনে এটিই একমাত্র মসজিদ, যেখানে মিনার রয়েছে। এ ঘটনা সুইডেনের মিডিয়াগুলোতেও ব্যাপক প্রচার পায়। সুইডিশ মিডিয়া মিনার থেকে আজান দেওয়ার ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করে। এখন থেকে সুইডেনের মসজিদগুলো থেকে প্রতি ওয়াক্তে পবিত্র আজানের ধ্বনি প্রচারিত হবে। নতুন এই আইন ঘোষণার পর কেউই এর বিরোধিতা করেনি। যদিও ইতিপূর্বে কেউ কেউ আজান প্রচারকে উদ্বিগ্নতা ও অস্থিরতা সৃষ্টির কারণ বলে আখ্যায়িত করে অনেকেই এর বিরোধিতা করেছে। এর আগে সুইজারল্যান্ডের মসজিদের মিনার নির্মাণ নিয়ে দেশটিতে তুমুল [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>সুইজারল্যান্ডের রাজধানী স্টকহোমের মসজিদ থেকে এখন শোনা যাবে আজানের ধ্বনি। সরকারিভাবে অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৬ এপ্রিল শুক্রবার স্টকহোমের ফিট্টাজা মসজিদের মিনার থেকে জুমার নামাজের আজান দেওয়া হয়। ইউরোপের কোনো মসজিদের মিনার থেকে এই প্রথম আজান দেওয়া হলো।</strong><br />
<a href="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/sweden-adhan.jpg"><img src="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/sweden-adhan.jpg?resize=644%2C524" alt="sweden adhan" class="aligncenter size-full wp-image-4048" data-recalc-dims="1" /></a><br />
<strong>জহির উদ্দিন বাবর</strong><br />
সুইজারল্যান্ডের রাজধানী স্টকহোমের মসজিদ থেকে এখন শোনা যাবে আজানের ধ্বনি। সরকারিভাবে অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৬ এপ্রিল শুক্রবার স্টকহোমের ফিট্টাজা মসজিদের মিনার থেকে জুমার নামাজের আজান দেওয়া হয়। ইউরোপের কোনো মসজিদের মিনার থেকে এই প্রথম আজান দেওয়া হলো। স্টকহোমের মুসলিম অধ্যুষিত বটকিরকা পৌরসভার ইসলামিক কালচারাল সেন্টার গত বছর জুমার নামাজের জন্য মিনারের মাইক থেকে আজান দেওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ সর্বসম্মতিতে অনুমোদন করে এই আবেদন। শুক্রবার ইউরোপের কোনো মসজিদের মিনার থেকে প্রথম আজানের সাক্ষী হতে পুরো সুইডেন থেকে বহু মুসলমান ফিট্টাজা মসজিদে জড়ো হন। সুইডেনে এটিই একমাত্র মসজিদ, যেখানে মিনার রয়েছে। এ ঘটনা সুইডেনের মিডিয়াগুলোতেও ব্যাপক প্রচার পায়। সুইডিশ মিডিয়া মিনার থেকে আজান দেওয়ার ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করে। এখন থেকে সুইডেনের মসজিদগুলো থেকে প্রতি ওয়াক্তে পবিত্র আজানের ধ্বনি প্রচারিত হবে। নতুন এই আইন ঘোষণার পর কেউই এর বিরোধিতা করেনি। যদিও ইতিপূর্বে কেউ কেউ আজান প্রচারকে উদ্বিগ্নতা ও অস্থিরতা সৃষ্টির কারণ বলে আখ্যায়িত করে অনেকেই এর বিরোধিতা করেছে।</p>
<p>এর আগে সুইজারল্যান্ডের মসজিদের মিনার নির্মাণ নিয়ে দেশটিতে তুমুল বিতর্ক চলে। এমনকি এটি গণভোটে পর্যন্ত গড়ায়। ২৯ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে এক গণভোটের মাধ্যমে মসজিদের মিনার নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হয়। গণভোটে ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার ও দেশের ২৬টি ক্যান্টনের মধ্যে চারটি ছাড়া সবক&#8217;টি এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও মুসলিম বিশ্ব এ প্রস্তাবের তুমুল বিরোধিতা করে। এটাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত বলেও আখ্যায়িত করা হয়। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলাও দায়ের করা হয়। শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে মিনার নির্মাণের অনুমতি পাওয়া যায়।</p>
<p>মিনার নির্মাণ প্রশ্নে সুইজারল্যান্ডের মুসলমানরা সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন মসজিদে আমন্ত্রণ জানায়। এতে বিপুলসংখ্যক অমুসলিম সুইস নাগরিক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মসজিদগুলোতে এসে ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। মুসলিম পণ্ডিতরা ইসলামের সৌন্দর্যের কথা তাদের সামনে তুলে ধরেন। পূর্ব সুইজারল্যান্ডের একজন মুসলমান জনপ্রতিনিধি হিশাম মাইজার জানান, সুইজারল্যান্ডের সাধারণ নাগরিকরা মসজিদে এসে ইসলাম সম্পর্কে ভালো ধারণা লাভ করেন। এর মধ্য দিয়ে ইসলাম সম্পর্কে তাদের প্রচলিত ভুল ধারণা ভেঙে যায়। এমনকি অনেকেই ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং এক পর্যায়ে ইসলামের ছায়ায় আশ্রয় নেন। দেশটিতে ইসলামের যাত্রা বেশি দিন আগের নয়। গত শতাব্দীর মাঝামাঝি প্রথমে সুইজারল্যান্ডে আরব দেশগুলোর পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়। সত্তরের দশকে প্রথম মুসলিম বসবাস শুরু হয়। মসজিদ ও বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টার স্থাপিত হয় নব্বইয়ের দশকে। এ সময়ই বিভিন্ন দেশ থেকে মুসলিম নাগরিকরা এখানকার অভিবাসী হন। তবে সংখ্যায় অল্প হলেও এখানে বসবাসরত মুসলমানরা ধর্মেকর্মে বেশ আছেন।<br />
zahirbabor@yahoo.com </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4047/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দোয়াই বদলে দিতে পারে ভাগ্য</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4043</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4043#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 17 May 2013 10:01:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[কুরআন ও হাদিস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4043</guid>
		<description><![CDATA[কেউ কেউ ধন-সম্পত্তি,মান-প্রতিপত্তি এবং রাজ্য-সম্পদ অর্জনে, কেউ কেউ জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অদ্ভুত আবিষ্কার -উদ্ভাবনে আর অপর কেউ বা আত্মিক সাধনায রত রয়েছেন। আর এই আত্মিক সাধনায উন্নতি লাভ করতে হলে বিশেষ বিশেষ আমলের বিভিন্ন ওজিফা ও দোয়া অন্যতম হাতিয়ার। হাদিসে বলা হয়েছে, একমাত্র দোয়াই তাকদির পরিবর্তন করতে বা বদলে দিতে পারে। এ জন্যই আল্লাহর নবী-রসূলগণ ও খাস মহাসাধক-ওলিরা বেশি বেশি দোয়া করে থাকতেন। কুরআন-হাদিসে দোয়ার গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। দোয়ার আদবগুলো ঠিক ঠিকভাবে আদায় করে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়। মাওলানা এম এ রহমান মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা&#8217;য়ালা তাঁর সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টি মানুষকে শারীরিক শক্তি-সামর্থ্য, মানসিক জ্ঞান-বুদ্ধি, বিবেক-বিবেচনা এবং এসব আহরণ ও আবিষ্কারের অদ্ভুত প্রতিভা দান করেছেন। আরও দিয়েছেন সাধনার বলে বলীয়ান হয়ে অলৌকিক আত্মিক-শক্তি হাসিলের অধিকার। পৃথিবীতে এমন কোন নরনারী নেই যাদের পক্ষে যথাযথ অনুশীলনের দ্বারা প্রয়োজনীয় দৈহিক ও মানসিক উত্কর্ষ লাভ সম্ভব নয়। মানুষ মহান আল্লাহ পাকের প্রদত্ত ক্ষমতা বলে পৃথিবীর বুকে বহু অসাধ্য কাজ সাধন করে যাচ্ছে। কেউ কেউ ধন-সম্পত্তি,মান-প্রতিপত্তি এবং রাজ্য-সম্পদ অর্জনে, কেউ কেউ জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অদ্ভুত আবিষ্কার -উদ্ভাবনে আর অপর কেউ বা আত্মিক সাধনায রত রয়েছেন। আর এই আত্মিক সাধনায উন্নতি লাভ করতে হলে বিশেষ বিশেষ আমলের বিভিন্ন ওজিফা ও দোয়া অন্যতম হাতিয়ার। হাদিসে বলা হয়েছে, একমাত্র দোয়াই তাকদির পরিবর্তন করতে বা বদলে দিতে পারে। এ [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>কেউ কেউ ধন-সম্পত্তি,মান-প্রতিপত্তি এবং রাজ্য-সম্পদ অর্জনে, কেউ কেউ জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অদ্ভুত আবিষ্কার -উদ্ভাবনে আর অপর কেউ বা আত্মিক সাধনায রত রয়েছেন। আর এই আত্মিক সাধনায উন্নতি লাভ করতে হলে বিশেষ বিশেষ আমলের বিভিন্ন ওজিফা ও দোয়া অন্যতম হাতিয়ার। হাদিসে বলা হয়েছে, একমাত্র দোয়াই তাকদির পরিবর্তন করতে বা বদলে দিতে পারে। এ জন্যই আল্লাহর নবী-রসূলগণ ও খাস মহাসাধক-ওলিরা বেশি বেশি দোয়া করে থাকতেন। কুরআন-হাদিসে দোয়ার গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। দোয়ার আদবগুলো ঠিক ঠিকভাবে আদায় করে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়।</strong></p>
<p><a href="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/dua-like-44.jpg"><img src="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/dua-like-44.jpg?resize=644%2C268" alt="dua like 44" class="aligncenter size-full wp-image-4044" data-recalc-dims="1" /></a><br />
<strong>মাওলানা এম এ রহমান</strong><br />
মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা&#8217;য়ালা তাঁর সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টি মানুষকে শারীরিক শক্তি-সামর্থ্য, মানসিক জ্ঞান-বুদ্ধি, বিবেক-বিবেচনা এবং এসব আহরণ ও আবিষ্কারের অদ্ভুত প্রতিভা দান করেছেন। আরও দিয়েছেন সাধনার বলে বলীয়ান হয়ে অলৌকিক আত্মিক-শক্তি হাসিলের অধিকার। পৃথিবীতে এমন কোন নরনারী নেই যাদের পক্ষে যথাযথ অনুশীলনের দ্বারা প্রয়োজনীয় দৈহিক ও মানসিক উত্কর্ষ লাভ সম্ভব নয়। মানুষ মহান আল্লাহ পাকের প্রদত্ত ক্ষমতা বলে পৃথিবীর বুকে বহু অসাধ্য কাজ সাধন করে যাচ্ছে। কেউ কেউ ধন-সম্পত্তি,মান-প্রতিপত্তি এবং রাজ্য-সম্পদ অর্জনে, কেউ কেউ জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অদ্ভুত আবিষ্কার -উদ্ভাবনে আর অপর কেউ বা আত্মিক সাধনায রত রয়েছেন। আর এই আত্মিক সাধনায উন্নতি লাভ করতে হলে বিশেষ বিশেষ আমলের বিভিন্ন ওজিফা ও দোয়া অন্যতম হাতিয়ার। হাদিসে বলা হয়েছে, একমাত্র দোয়াই তাকদির পরিবর্তন করতে বা বদলে দিতে পারে। এ জন্যই আল্লাহর নবী-রসূলগণ ও খাস মহাসাধক-ওলিরা বেশি বেশি দোয়া করে থাকতেন। কুরআন-হাদিসে দোয়ার গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। দোয়ার আদবগুলো ঠিক ঠিকভাবে আদায় করে দোয়া করলে দোয়া কবুল হয়। রসূলে পাক (স.), সাহাবাগণ এবং পরবর্তীতে অলি-আউলিয়াগণের দোয়া এবং বিশেষ বিশেষ মুনাজাত আমাদের নজরে পড়ে।</p>
<p> এসব মুনাজাত আমাদের পাঠ করা জরুরি এবং প্রয়োজন। তাতে আদব রক্ষা পাবে এবং ভুলও কম হবে। রসূল (স.) নিজে দোয়া করতেন এবং সাহাবাদেরকেও দোয়া শিক্ষা দিতেন। তিনি তাঁর স্ত্রী হযরত আযেশা (রা.) এবং কন্যা হজরত ফাতিমা (রা.) কে দোযা শিখিয়েছেন এবং দোয়ার গুরুত্ব ও ফজিলতও বলে দিয়েছেন। এখানে শুধু রাতদিন কীভাবে জিকির ও ফিকির সম্পর্কিত ওজিফায় লিপ্ত থেকে আল্লাহ ও রসূল প্রেমিক হওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা করব। অন্য কোন বিষয়ে নয়। পবিত্র কোরআনুল কারীমে বিশেষ নফল ইবাদত তথা বিভিন্ন ওজিফায় লিপ্ত থাকার দিকনির্দেশনা রয়েছে। ওজিফার সম্পর্ক দিবস এবং রাতের সঙ্গে। দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত ওজিফার সূচনা হয় সূর্যোদয়ের পর ইশরাক আদায় করা থেকে এবং চাশতের নামাজের ওয়াক্ত পর্যন্ত। চাশতের নামাজ আদায় করতে হয় সূর্যোদয়ের পর থেকে দুপুরের পূর্ববর্তী সময়টুকুর মধ্যে। অর্থাত্ সুবেহ সাদিক প্রকাশ পাওয়ার তিন ঘণ্টা পর নামাজ রয়েছে।</p>
<p> যেমন, ওজিফার মাধ্যমে দিবাভাগের অপেক্ষা করতে হয় এবং ফজরের নামাজ শেষ করেই সাংসারিক কাজকর্মে লিপ্ত না হয়ে কিছুক্ষণ জিকির ও দোয়া-দুরুদে অতিবাহিত করবে। তারপর সূর্যোদয়ের ঘন্টখানেক পর দু&#8217;রাকায়াত নামাজ পড়বে। এ নামাজের নাম &#8216;সালাতুল ইশরাক&#8217; বা ইশরাকের নামাজ। আর দিবাভাগের এক চতুর্থাংশের পর থেকে দুপুরের আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে চার রাকায়াত হতে বার রাকায়াত পর্যন্ত নফল আদায় করলে অশেষ সওয়াব হাসিল হয়। এ নামাজ বেশী পড়া সম্ভব না হলে কমপক্ষে দুই রাকায়াত পড়বে। কথা হলো, স্বাভাবিকভাবেই মানুষ সবকিছুতে নতুনত্ব চায় এবং নতুন কিছু আশা করে। একই বিষয়ে প্রতি বারবার মন বসে না এবং জোর করে বসালেও বিষয়টির প্রতি মন অমনোযোগীই থেকে যায়। সুতরাং দিনের বিভিন্ন সময়ের জন্য বিভিন্ন প্রকার জিকির ও ওজিফা নির্বাচন করা উচিত। যাতে মনে তিক্ততা ও বিরক্তি না আসতে পারে এবং নতুন নতুন ওজিফা ও আমলে নতুন স্বাদ উপভোগ করে। আমরা জানি, আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির ওপর মানুষের পরকালীন মুক্তি নির্ভরশীল। তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উপায় হলো, দুনিয়াতে থাকাকালে আল্লাহর প্রেম ও ভালোবাসার সুপাত্রে পরিণত হওয়া, তাঁর সম্পর্কে মারফতি জ্ঞান হাসিল করা অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করা। আর এ জন্য মানুষ রাতদিন মুরাকাবা-মুশাহিদা করতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4043/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বালাকোট থেকে মতিঝিল</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4040</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4040#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 16 May 2013 14:52:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইসলামিক ফ্ল্যাশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4040</guid>
		<description><![CDATA[ওযারিস রব্বানী সৌজন্যে; আমারদেশ অনলাইন কষ্টের এই মিলন, বেদনার এই সামঞ্জস্য কেউ প্রত্যাশা করেনি। অথচ কিছু মিল ও অমিল নিয়ে ঘটে গেছে সেটাই। আজ থেকে ১৮২ বছর আগে ব্রিটিশ ভারতের সীমান্ত অঞ্চল বালাকোটে সংঘটিত এক রক্তক্ষয়ী ঘটনার প্রতিচ্ছবি দাঁড়িয়ে গেল স্বাধীন বাংলাদেশের বুকে; ঢাকার মতিঝিলে। সে ঘটনাটি ঘটেছিল ১৮৩১ সালের ৬ মে। এ ঘটনাটি ঘটেছে ২০১৩ সালের ৬ মে। সেটি ঘটেছিল জুমাবারের দিনদুপুরে। এটি ঘটেছে সোমবার শেষরাতের বাতি নেভানো অন্ধকারে। সেটি ছিল যুদ্ধ, এটি ছিল নিরস্ত্র ঘুমন্ত লাখো মানুষের অবস্থানে নির্বিচার আক্রমণ। ওই ঘটনায় ৭০০ মুসলিম মুজাহিদের মধ্যে শহীদ হয়েছিলেন ৩০০ জন। আর এই ঘটনায় (সরকারি বিবরণ অনুযায়ী কেউ হতাহত হয়নি) ২৫০০ থেকে ৩০০০ মানুষ ‘নিহত’ হয়েছেন বলে দাবি উঠেছে। ওই ঘটনায় আক্রান্ত মুসলমানরা ছিলেন ভিনজাতির মানুষের সঙ্গে লড়াইরত। আর এ ঘটনায় স্বজাতির কয়েকটি বাহিনী তাদের ওপর হামলে পড়েছে। বালাকোট আন্দোলনের মূল কথা ছিল—কুসংস্কার থেকে ইসলামী চিন্তা ও আমল রক্ষা, তাওহিদবাদী নিখাদ আধ্যাত্মিকতার বিকাশ ও ব্রিটিশ বেনিয়াদের কবল থেকে স্বদেশকে মুক্ত করার সংগ্রাম। ওই আন্দোলনের নাম ছিল তরিকায়ে মুহাম্মদী। ইতিহাসের সূত্র অনুযায়ী, ওই যুগের গ্রহণযোগ্য সব আলেম ও ইসলামপন্থী মানুষ ওই আন্দোলনের প্রতি সমর্থক ও সহানুভূতিশীল ছিলেন। আর এই আন্দোলনের মূল কথা হচ্ছে, সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন, ইসলামবিদ্বেষী উগ্র নাস্তিক ব্লগারদের মৃত্যুদণ্ডের আইন প্রণয়ন করে শাস্তিদান [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ওযারিস রব্বানী<br />
সৌজন্যে; আমারদেশ অনলাইন</strong></p>
<p>কষ্টের এই মিলন, বেদনার এই সামঞ্জস্য কেউ প্রত্যাশা করেনি। অথচ কিছু মিল ও অমিল নিয়ে ঘটে গেছে সেটাই। আজ থেকে ১৮২ বছর আগে ব্রিটিশ ভারতের সীমান্ত অঞ্চল বালাকোটে সংঘটিত এক রক্তক্ষয়ী ঘটনার প্রতিচ্ছবি দাঁড়িয়ে গেল স্বাধীন বাংলাদেশের বুকে; ঢাকার মতিঝিলে। সে ঘটনাটি ঘটেছিল ১৮৩১ সালের ৬ মে। এ ঘটনাটি ঘটেছে ২০১৩ সালের ৬ মে। সেটি ঘটেছিল জুমাবারের দিনদুপুরে। এটি ঘটেছে সোমবার শেষরাতের বাতি নেভানো অন্ধকারে। সেটি ছিল যুদ্ধ, এটি ছিল নিরস্ত্র ঘুমন্ত লাখো মানুষের অবস্থানে নির্বিচার আক্রমণ। ওই ঘটনায় ৭০০ মুসলিম মুজাহিদের মধ্যে শহীদ হয়েছিলেন ৩০০ জন। আর এই ঘটনায় (সরকারি বিবরণ অনুযায়ী কেউ হতাহত হয়নি) ২৫০০ থেকে ৩০০০ মানুষ ‘নিহত’ হয়েছেন বলে দাবি উঠেছে। ওই ঘটনায় আক্রান্ত মুসলমানরা ছিলেন ভিনজাতির মানুষের সঙ্গে লড়াইরত। আর এ ঘটনায় স্বজাতির কয়েকটি বাহিনী তাদের ওপর হামলে পড়েছে।</p>
<p>বালাকোট আন্দোলনের মূল কথা ছিল—কুসংস্কার থেকে ইসলামী চিন্তা ও আমল রক্ষা, তাওহিদবাদী নিখাদ আধ্যাত্মিকতার বিকাশ ও ব্রিটিশ বেনিয়াদের কবল থেকে স্বদেশকে মুক্ত করার সংগ্রাম। ওই আন্দোলনের নাম ছিল তরিকায়ে মুহাম্মদী। ইতিহাসের সূত্র অনুযায়ী, ওই যুগের গ্রহণযোগ্য সব আলেম ও ইসলামপন্থী মানুষ ওই আন্দোলনের প্রতি সমর্থক ও সহানুভূতিশীল ছিলেন। আর এই আন্দোলনের মূল কথা হচ্ছে, সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনঃস্থাপন, ইসলামবিদ্বেষী উগ্র নাস্তিক ব্লগারদের মৃত্যুদণ্ডের আইন প্রণয়ন করে শাস্তিদান এবং ইসলামী সংস্কৃতি ও জীবনাচারের বিকাশ। এই আন্দোলনের নাম হেফাজতে ইসলাম। এই আন্দোলনের সঙ্গেও দেশের সমকালের সত্যপন্থী গ্রহণযোগ্য সব আলেম ও সব পর্যায়ের মুসলমানরা সহানুভূতিশীল রয়েছেন বলে গণমাধ্যমে এসেছে।</p>
<p>ইসলাম, স্বাধীনতা ও স্বাজাত্যবোধের বিবেচনায় এই দুটি আন্দোলনের মাঝে মিল অনেক। নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাঝে আন্দোলনের প্রতি সমর্থনের দিক থেকেও দুটি আন্দোলনের মাঝে মিল কম নেই। এমনকি ট্র্যাজেডি ও বিপর্যয়ের দিক থেকেও তেমন অমিল পাওয়া যায় না। কেবল বিপর্যয়-পরবর্তী প্রতিরোধের ঘটনার বিষয়টি এখনও অমীমাংসিত। এটি বলতে পারবে হয়তো আগামী দিনের ইতিহাস।<br />
<a href="http://i1.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/balakot-to-motizheel.jpg"><img src="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/balakot-to-motizheel.jpg?resize=428%2C597" alt="balakot to motizheel" class="alignright size-full wp-image-4041" data-recalc-dims="1" /></a><br />
ইসলামী বিশ্বকোষ (১৬ শ’ খণ্ড-১ম ভাগ, প্রথম প্রকাশ, পৃষ্ঠা-৪৫, ৪৬, ৪৭)-এর বিবরণ অনুযায়ী ওই ঘটনায় মুসলমানদের বিপক্ষে শিখনেতা শের সিংয়ের বাহিনীর সেনাসংখ্যা ছিল ১০ হাজার। মতিঝিলের এ ঘটনাতেও নিরস্ত্র ঘুমন্ত মানুষের ওপর হামলাকারীদের সংখ্যা ছিল ১০ হাজার। ওই ঘটনায় হতাহত মুসলমনদের লাশ ও তাদের সঙ্গের অমূল্য ঐতিহাসিক সামানপত্র আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। আর এ ঘটনায় (জোর অভিযোগ উঠেছে) ‘নিহতদের’ লাশ গায়েব করে দেয়া হয়েছে। ওই ঘটনার যিনি প্রধান ছিলেন তার নাম ছিল সাইয়েদ আহমদ শহীদ, আর এই কাফেলার যিনি প্রধান তার নাম শাহ আহমদ শফী।</p>
<p>বর্তমান পাকিস্তানের হাজারা জেলার কুনহার নদীর পাশে ছিল বালাকোটের অবস্থান। একটি উঁচু ময়দান। কোনো জনবসতি সেখানে ছিল না। তার পাশেই ছিল মাট্টিকোট পাহাড়। ওই পাহাড় থেকেই শিখ আক্রমণকারী বাহিনী হামলা করে। আর এ ঘটনাটির অবস্থান স্বাধীন দেশ—ঢাকার হৃিপণ্ড মতিঝিল। চারপাশে অফিসভবন, ব্যস্ত নগর, তামাশার সভ্যতা। ওই ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের সংখ্যা চাপা দেয়ার কোনো চেষ্টা কেউ করেনি। এই ঘটনায় যারা হতাহত হয়েছেন তাদের ‘শহীদ’ বলে উচ্চারণ করাই মুশকিল হয়ে গেছে। আর ‘নিহতদের’ ব্যাপারে বলা হচ্ছে, কেউ হতাহত হয়নি। এ ঘটনায় ‘শান্তিপূর্ণ, দক্ষতাপূর্ণ ও বিচক্ষণতাপূর্ণ’ অভিযান চালানো হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদসহ সরকারপন্থী নেতাকর্মী, বুদ্ধিজীবীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ওই ঘটনার পর ইতিহাস তাদের জন্য যুগে যুগে কেঁদেছে, সাড়া দিয়েছে, প্রতিরোধ গড়েছে। আর এই ঘটনার পর নিঃশব্দে চোখের পানি মুছতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অদ্ভুত রুদ্ধবাক বেদনার এক ভুবনে ডুবে আছে সারাদেশ। কেউ জানে না এ কষ্টের শেষ কোথায়? ৭ মে হাটহাজারী সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে বেদনাঘন যে বক্তব্য পেশ করা হয়েছে, সংবাদপত্রে সেটি পড়ে চোখের পানি ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়।</p>
<p>তবে আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল (সা.) ও ইসলামের মর্যাদা রক্ষা এবং ইসলামবিদ্বেষী উগ্র নাস্তিকদের বিচার চাওয়ার ‘অপরাধে’ চালানো এই অভিযানের বারুদ ধর্মপ্রাণ মানুষের বুকে কত যুগ আগুনের মতো জ্বলতে থাকবে—সে ধারণা হয়তো এখনই করা মুশকিল। হ</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4040/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ক্ষুধার যন্ত্রণায় উপুড় হয়ে পড়ে থাকতাম</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4036</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4036#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 14 May 2013 16:47:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[কুরআন ও হাদিস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4036</guid>
		<description><![CDATA[সংকলন ও প্রকাশনায় : কুরআনের আলো টিম মুজাহিদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রা:) বলতেন, আল্লাহ্‌র কসম, যিনি ছাড়া কোন (হক) ইলাহ নেই। আমি ক্ষুধার যন্ত্রণায় উপুড় হয়ে পড়ে থাকতাম।আর কখনও পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম। একদা আমি তাঁদের (রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এবং ছাহাবীদের) রাস্তায় বসেছিলাম, যেখান দিয়ে তারা বের হ’তেন। আবূ বকর (রা:) রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম।আমি এ উদ্দেশ্যেই তা করলাম, যেন তিনি আমাকে কিছু খেতে দিয়ে পরিতৃপ্ত করেন। কিন্তু তিনি চলে গেলেন, কিছুই করলেন না। এরপর ওমর (রা:) আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁকেও সেই একই উদ্দেশ্যে কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন, কিছুই করলেন না। অতঃপর আবুল কাসেম [অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)] আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, আমাকে দেখে তিনি মুচকি হাসলেন। তিনি আমার চেহারা দেখে মনের কথা বুঝতে পারলেন এবং বললেন, ‘হে আবূ হুরায়রা (রা:)! আমি বললাম, ‘হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ)! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, ‘তুমি আমার সঙ্গে চল’! অতঃপর তিনি চললেন, আমি তাঁর অনুসরণ করলাম। তিনি বাড়ীতে প্রবেশ করলেন। অতঃপর আমি ভিতরে প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি অনুমতি দিলে আমি প্রবেশ করলাম। তিনি ঘরে প্রবেশ করে একটি পেয়ালায় কিছু দুধ দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এ দুধ কোথা থেকে এসেছে’?বাড়ির লোকজন উত্তর দিল, ‘অমুক পুরুষ অথবা অমুক মহিলা আপনার জন্য হাদিয়াস্বরূপ [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p>সংকলন ও প্রকাশনায় : কুরআনের আলো টিম<br />
মুজাহিদ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রা:) বলতেন, আল্লাহ্‌র কসম, যিনি ছাড়া কোন (হক) ইলাহ নেই। আমি ক্ষুধার যন্ত্রণায় উপুড় হয়ে পড়ে থাকতাম।আর কখনও পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম। একদা আমি তাঁদের (রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এবং ছাহাবীদের) রাস্তায় বসেছিলাম, যেখান দিয়ে তারা বের হ’তেন। আবূ বকর (রা:) রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম।আমি এ উদ্দেশ্যেই তা করলাম, যেন তিনি আমাকে কিছু খেতে দিয়ে পরিতৃপ্ত করেন। কিন্তু তিনি চলে গেলেন, কিছুই করলেন না। এরপর ওমর (রা:) আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁকেও সেই একই উদ্দেশ্যে কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন, কিছুই করলেন না।<br />
<a href="http://i1.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2012/09/hadith-wp87.jpg"><img src="http://i1.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2012/09/hadith-wp87.jpg?resize=604%2C604" alt="hadith wp87" class="aligncenter size-full wp-image-2974" data-recalc-dims="1" /></a><br />
অতঃপর আবুল কাসেম [অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)] আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, আমাকে দেখে তিনি মুচকি হাসলেন। তিনি আমার চেহারা দেখে মনের কথা বুঝতে পারলেন এবং বললেন, ‘হে আবূ হুরায়রা (রা:)! আমি বললাম, ‘হে আল্লাহ্‌র  রাসূল (সাঃ)! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, ‘তুমি আমার সঙ্গে চল’! অতঃপর তিনি চললেন, আমি তাঁর অনুসরণ করলাম। তিনি বাড়ীতে প্রবেশ করলেন। অতঃপর আমি ভিতরে  প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি অনুমতি দিলে আমি প্রবেশ করলাম। তিনি ঘরে প্রবেশ করে একটি পেয়ালায় কিছু দুধ দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এ দুধ কোথা থেকে এসেছে’?বাড়ির লোকজন উত্তর দিল, ‘অমুক পুরুষ অথবা অমুক মহিলা আপনার জন্য হাদিয়াস্বরূপ দিয়েছে’। তিনি বললেন, ‘হে আবূ হুরায়রা (রা:)’! আমি বললাম, ‘আমি হাযির হে আল্লাহ্‌র  রাসূল’! তিনি বললেন, ‘আহলে ছুফ্ফার লোকদেরকে গিয়ে এখানে ডেকে আন’।</p>
<p>(রাবী বলেন) ‘আহলে ছুফফা’ ছিল ইসলামের মেহমান। তাদের পরিবার- পরিজন, ধন-সম্পদ কিছুই ছিল না। আর এমন কেউ ছিল না, যার উপর ভরসা করা যায়। যখন কোন ছাদাকার মাল রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট আসত, তখন তিনি তাদের জন্য পাঠিয়ে দিতেন। নিজে সেখান থেকে কিছুই গ্রহণ করতেন না। আর যদি কোন হাদিয়া (উপঢৌকন) আসত, তিনি সেখান থেকেও এক অংশ  তাদের জন্য পাঠিয়ে দিয়ে এতে তাদেরকে শরীক করতেন এবং নিজে এক অংশ  গ্রহণ করতেন। (আবু হুরায়রা বলেন) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর আদেশ শুনে আমি হতাশ হয়ে পড়লাম। (মনে মনে) বললাম, এতটুকু দুধ দ্বারা ‘আহলে ছুফফা’র কি হবে? আমিই এ দুধ পানের বেশী হকদার। আমি তা পান করলে আমার শরীরে শক্তি ফিরে পেতাম। যখন তারা এসে গেলেন, তখন তিনি আমাকে আদেশ দিলেন, আমিই যেন তাদেরকে দুধ পান করতে দেই। আর আমার আশা রইল না যে, এ দুধ থেকে আমি কিছু পাব।</p>
<p>কিন্তু আল্লাহ্‌ ও তার রাসূল (সাঃ)-এর আদেশ মান্য করা ছাড়া আমার কোন গত্যন্তর ছিল না।সুতরাং আমি ‘আহলে ছুফ্ফার নিকট গিয়ে তাদেরকে ডেকে আনলাম’। তারা এসে (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাইলে তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন। তারা ঘরে এসে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করলেন। তিনি বললেন, হে আবূ হুরায়রা! আমি বললাম, আমি হাযির হে আল্লাহ্‌র রাসূল! রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বললেন, এটি তাদেরকে দাও। আমি (দুধের) পেয়ালা হাতে নিয়ে দিতে শুরু করলাম। এক ব্যক্তির হাতে দিলাম, সে পান করে পরিতপ্তৃ হ’ল এবং আমাকে পেয়ালা ফেরত দিল।</p>
<p>অতঃপর আমি অন্য একজনকে দিলাম, সেও তৃপ্তি সহকারে পান করে পেয়ালা ফেরত দিল। তৃতীয় জনকে দিলে সেও তাই করল। এভাবে আমি (সর্বশেষে) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট পৌছলাম। সবাই পরিতৃপ্ত হ’ল। তিনি পেয়ালা নিলেন এবং আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললেন, ‘হে আবূ হুরায়রা’! আমি বললাম, ‘আমি হাযির হে আল্লাহ্‌র রাসূল’! তিনি বললেন, ‘এখন আমি আর তুমি বাকী’। আমি বললাম, ‘আপনি ঠিকই বলেছেন হে আল্লাহ্‌র রাসূল’। তিনি বললেন, ‘বসে পড় এবং পান কর’। আমি বসে পান করলাম। তিনি (পুনরায়) বললেন, ‘পান কর’। আমি পান করলাম। তিনি একথা বলতেই থাকলেন, অবশেষে আমি বলতে বাধ্য হ’লাম যে, ‘আল্লাহ্‌র শপথ! যিনি আপনাকে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন, আমার পেটে আর জায়গা নেই’। তিনি বললেন, ‘তাহলে আমাকে দাও’। আমি তাঁকে দিলে তিনি আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে বাকী দুধ পান করলেন (ছহীহ বুখারী হা/৬৪৫২, ‘রিকাক’অধ্যায়, অনুচেছদ-১৭, মিশকাত হা/৪৬৭০ ‘শিষ্টাচার’অধ্যায়, ‘অনুমতি’অনুচেছদ)।</p>
<p>শিক্ষা:<br />
<strong>১.  রাসূল (সাঃ) ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ। তিনি তাঁর ছাহাবীদের মুখ দেখেই তাদের অন্তরের অবস্থা বুঝতে পারতেন।<br />
২.  বসে পান করা সুন্নত।<br />
৩. বিসমিল্লাহ বলে পান করতে হবে।<br />
৪.  আমন্ত্রিত ব্যক্তি অনুমতি না নিয়ে বাড়ীতে প্রবেশ করবে না।<br />
৫. পরস্পর ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধির জন্য হাদিয়া বা উপঢৌকন প্রদান করা সুন্নত।<br />
৬.  বিপদগ্রস্ত বা অভাবগ্রস্তে ক সাহায্য করা মুমিনের অবশ্য কর্তব্য</strong>।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4036/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নুজহাত রায়হান নুহেরির নির্বাচিত কলাম &#8220;হিজাব আমার স্পেশ্যালিটি&#8221;</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4031</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4031#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 12 May 2013 15:49:26 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[কুরআন ও হাদিস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4031</guid>
		<description><![CDATA[স্কুল থেকে যখন পিকনিকে যাই টিচাররা খাবার দেবার সময় আমার হিজাব দেখে বলেন, ওহ তুমি তো পোক বা ই-কোড যুক্ত খাবার খাবে না। ঠিকআছে তোমার জন্য অন্য খাবার আনছি। স্কুলে আমাদের ক্লাসে আমিই একমাত্র মুসলিম। তাই আমার ক্লাসমেটরা সবসময় আমাকে বলে তুমি কেন হিজাব করো? টিচাররা বলেন যে তুমি তো অনেক ছোট এখন তো মাথা না ঢাকলেও পারো। তোমাকে কি তোমার বাবা-মা জোর করে হিজাব পড়তে বাধ্য করেছেন? সবাইকে আমি বলি হিজাব করি কারণ আমি মুসলিম আর হিজাব আমার স্পেশ্যালিটি। আমি বাবা-মার জন্য হিজাব করি না। আমি হিজাব করি কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলিম মেয়েদেরকে পর্দা করে চলতে বলেছেন। আমার এক ফ্রেন্ড জিজ্ঞেস করেছিলো তোমার মন খারাপ হয় না হিজাব করতে? তুমি তো আমাদের মতো সুন্দর করে চুল বাঁধতে পারো না। জবাবে বলেছি কে বলেছে আমি তোমাদের মতো চুল বাঁধতে পারি না? আমি বাসায় সবকিছুই করতে পারি। আমি সুন্দর করে চুল বাঁধি, সুন্দর সুন্দর ড্রেস পড়ি, মামণি আমাকে সাজিয়ে দেন। বাইরে করার দরকার কি? বাইরে এসব করলে আমিও তো অন্য সবার মতো হয়ে যাবো। কেউ আর আমাকে স্পেশ্যালি চিনবে না। স্পেশ্যাল সম্মানও দেবে না। আমি যখন বাইরে যাই আর দেশী কোন আঙ্কেল-অ্যান্টির সাথে দেখা হয়। উনারা অবাক হয়ে বলেন তুমি এখন থেকেই হিজাব করা শুরু করেছো? উনারা অনেক খুশি হন [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>স্কুল থেকে যখন পিকনিকে যাই টিচাররা খাবার দেবার সময় আমার হিজাব দেখে বলেন, ওহ তুমি তো পোক বা ই-কোড যুক্ত খাবার খাবে না। ঠিকআছে তোমার জন্য অন্য খাবার আনছি।</strong></p>
<p><a href="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/hijab-baby.jpg"><img src="http://i1.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/hijab-baby.jpg?resize=493%2C650" alt="hijab baby" class="aligncenter size-full wp-image-4032" data-recalc-dims="1" /></a><br />
স্কুলে আমাদের ক্লাসে আমিই একমাত্র মুসলিম। তাই আমার ক্লাসমেটরা সবসময় আমাকে বলে তুমি কেন হিজাব করো? টিচাররা বলেন যে তুমি তো অনেক ছোট এখন তো মাথা না ঢাকলেও পারো। তোমাকে কি তোমার বাবা-মা জোর করে হিজাব পড়তে বাধ্য করেছেন? সবাইকে আমি বলি হিজাব করি কারণ আমি মুসলিম আর হিজাব আমার স্পেশ্যালিটি। আমি বাবা-মার জন্য হিজাব করি না। আমি হিজাব করি কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলিম মেয়েদেরকে পর্দা করে চলতে বলেছেন।</p>
<p>আমার এক ফ্রেন্ড জিজ্ঞেস করেছিলো তোমার মন খারাপ হয় না হিজাব করতে? তুমি তো আমাদের মতো সুন্দর করে চুল বাঁধতে পারো না। জবাবে বলেছি কে বলেছে আমি তোমাদের মতো চুল বাঁধতে পারি না? আমি বাসায় সবকিছুই করতে পারি। আমি সুন্দর করে চুল বাঁধি, সুন্দর সুন্দর ড্রেস পড়ি, মামণি আমাকে সাজিয়ে দেন। বাইরে করার দরকার কি? বাইরে এসব করলে আমিও তো অন্য সবার মতো হয়ে যাবো। কেউ আর আমাকে স্পেশ্যালি চিনবে না। স্পেশ্যাল সম্মানও দেবে না।</p>
<p>আমি যখন বাইরে যাই আর দেশী কোন আঙ্কেল-অ্যান্টির সাথে দেখা হয়। উনারা অবাক হয়ে বলেন তুমি এখন থেকেই হিজাব করা শুরু করেছো? উনারা অনেক খুশি হন আর আমাকে অনেক অনেক দোয়া করে দেন। স্কুল থেকে যখন পিকনিকে যাই টিচাররা খাবার দেবার সময় আমার হিজাব দেখে বলেন, ওহ তুমি তো পোক বা ই-কোড যুক্ত খাবার খাবে না। ঠিকআছে তোমার জন্য অন্য খাবার আনছি। যদি আমি হিজাব না করতাম তাহলে আমাকেই বারবার টিচারদের মনে করিয়ে দিতে হতো আমার পরিচয়।</p>
<p>যখন থেকে আমি হিজাব করি নিজেকে ভীষণ স্পেশ্যাল মনেহয়। সবাইও আমাকে অনেক স্পেশ্যালি দেখে। কিন্তু আমি মানুষকে খুশি করার জন্য হিজাব করি না। আমি হিজাব করি কারণ এটা আল্লাহর নির্দেশ আর এতে আল্লাহ খুশি হবেন। বাবা বলেছেন মানুষকে খুশি করার জন্য কখনো কিছু না করতে, সবকিছু আল্লাহর খুশির জন্য করতে। আর মানুষের চেয়ে আল্লাহকে খুশি করা অনেক বেশি সহজ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4031/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শেখ্‌ Google হতে সাবধান</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4027</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4027#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 11 May 2013 09:23:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইসলামিক নিবন্ধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4027</guid>
		<description><![CDATA[@মনে রাখবেন, ইন্টারনেট হচ্ছে শিক্ষিত এবং অত্যন্ত দক্ষ প্রতারকদের জায়গা। এখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে, সবচেয়ে মোক্ষম ভাবে মানুষকে প্রতারিত করা হয়, যেটা অনেক শিক্ষিত, আধুনিক মানুষও ধরতে পারেন না। @ইন্টারনেট ভর্তি হাজার রকমের গুজব এবং ভুয়া গবেষণায় ভরা শত শত মতবাদ পাবেন, যা আপনার কাছে পড়লে মনে হবে বিরাট আলেমরা লিখেছে। কিন্তু ভালো করে খোঁজ নিলে দেখবেন আসলে সব ভুয়া। কু’রআনকে নিয়ে ইন্টারনেটে গবেষণা ধর্মী আর্টিকেলের কোনো অভাব নেই। বেশিরভাগই হয় বিধর্মীরা ভুয়া মুসলিম নাম দিয়ে (যেমনঃ ডঃ আব্দুল মাসিহ, যা একটি আরব খ্রিস্টান নাম, এর অর্থ ‘যীশুর দাস’) মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করতে লিখেছে, @এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগে, কেন মানুষ এরকম উঠে পড়ে লেগেছে ইসলামের বিরুদ্ধে? এতো কোটি কোটি টাকা খরচ করে কার কি লাভ হচ্ছে? এর অন্যতম কারণ হচ্ছে পৃথিবীতে মুসলিমরা ‘আশঙ্কাজনক’ হারে বাড়ছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ১.৭ বিলিয়ন মুসলিম, খ্রিষ্টান ২ বিলিয়ন। যেভাবেই হোক মুসলিমদের সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া বন্ধ করতে হবে। না হলে খ্রিষ্টান ধর্ম এবং তাদের কোটি কোটি ডলারের বিশাল চার্চ বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। দ্বিতীয় কারণ শারিয়াহ আইন বন্ধ করা। যদি শারিয়াহ আইন কোনো দেশে প্রচলিত হয়, তাহলে মদ, জুয়া, সুদ ইত্যাদি বন্ধ হয়ে যাবে। শুধুমাত্র ব্রিটেনেই বছরে ১৭ বিলিয়ন পাউন্ডের বিয়ার বিক্রি হয়। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে এই সব হারাম ব্যবসার শেয়ার হোল্ডার শত শত [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@মনে রাখবেন, ইন্টারনেট হচ্ছে শিক্ষিত এবং অত্যন্ত দক্ষ প্রতারকদের জায়গা। এখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে, সবচেয়ে মোক্ষম ভাবে মানুষকে প্রতারিত করা হয়, যেটা অনেক শিক্ষিত, আধুনিক মানুষও ধরতে পারেন না।</strong></p>
<p><strong>@ইন্টারনেট ভর্তি হাজার রকমের গুজব এবং ভুয়া গবেষণায় ভরা শত শত মতবাদ পাবেন, যা আপনার কাছে পড়লে মনে হবে বিরাট আলেমরা লিখেছে। কিন্তু ভালো করে খোঁজ নিলে দেখবেন আসলে সব ভুয়া। কু’রআনকে নিয়ে ইন্টারনেটে গবেষণা ধর্মী আর্টিকেলের কোনো অভাব নেই। বেশিরভাগই হয় বিধর্মীরা ভুয়া মুসলিম নাম দিয়ে (যেমনঃ ডঃ আব্দুল মাসিহ, যা একটি আরব খ্রিস্টান নাম, এর অর্থ ‘যীশুর দাস’) মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করতে লিখেছে,</strong></p>
<p><strong>@এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগে, কেন মানুষ এরকম উঠে পড়ে লেগেছে ইসলামের বিরুদ্ধে? এতো কোটি কোটি টাকা খরচ করে কার কি লাভ হচ্ছে? এর অন্যতম কারণ হচ্ছে পৃথিবীতে মুসলিমরা ‘আশঙ্কাজনক’ হারে বাড়ছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ১.৭ বিলিয়ন মুসলিম, খ্রিষ্টান ২ বিলিয়ন। যেভাবেই হোক মুসলিমদের সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া বন্ধ করতে হবে। না হলে খ্রিষ্টান ধর্ম এবং তাদের কোটি কোটি ডলারের বিশাল চার্চ বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। দ্বিতীয় কারণ শারিয়াহ আইন বন্ধ করা। যদি শারিয়াহ আইন কোনো দেশে প্রচলিত হয়, তাহলে মদ, জুয়া, সুদ ইত্যাদি বন্ধ হয়ে যাবে। শুধুমাত্র ব্রিটেনেই বছরে ১৭ বিলিয়ন পাউন্ডের বিয়ার বিক্রি হয়। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে এই সব হারাম ব্যবসার শেয়ার হোল্ডার শত শত বিলিয়নিয়ার এবং হাজার হাজার মিলিয়নিয়ারের ব্যাপক ক্ষতি হবে। সামরিক অস্ত্র তৈরির পিছনে জড়িত হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্যে ব্যাপক ধ্বস নামবে। প্রচলিত হারাম ব্যাংকগুলো বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিতে পড়বে।</strong><br />
<a href="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/bad-google-results.gif"><img src="http://i1.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/bad-google-results.gif?resize=415%2C215" alt="bad-google-results" class="aligncenter size-full wp-image-4029" data-recalc-dims="1" /></a><br />
<strong>Posted  by ওমর আল জাবির<br />
Courtesy:http://blog.omaralzabir.com</strong><br />
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ</p>
<p>আজকাল আমরা ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টারনেটের উপর অনেকখানি নির্ভর করি। যখনি ইসলামের কোনো নিয়মকানুন, কোনো অনুষ্ঠান, কোনো বিতর্কিত ব্যাপার সম্পর্কে মনে প্রশ্ন জাগে, হয় আমরা ইন্টারনেটে সার্চ করি, না হয় ফেইসবুকে বন্ধু-বান্ধবকে জিজ্ঞাসা করি। শেখ্‌ Google যেহেতু আমাদেরকে বিজ্ঞান, গণিত, দর্শন ইত্যাদির উপর যাবতীয় প্রশ্নের সঠিক সমাধান দেয়, আমরা ধরে নেই ইসলাম সম্পর্কেও সে নিশ্চয়ই সঠিক সমাধান দেয়। আর ফেইসবুকে যেই ফ্রেন্ডের মুখে ঘন দাঁড়ি এবং মাথায় টুপি দেখা যায় এবং অনেক ইসলামিক আর্টিকেল শেয়ার করতে দেখা যায়, আমরা ধরে নেই ইসলামের ব্যাপারে তার মতামত নিশ্চয়ই সঠিক। আমাদের এই ধারণাগুলো কি ঠিক?</p>
<p><strong>ভুয়া মুসলিম নাম নিয়ে লেখা বই, আর্টিকেল</strong><br />
ইন্টারনেট ভর্তি হাজার রকমের গুজব এবং ভুয়া গবেষণায় ভরা শত শত মতবাদ পাবেন, যা আপনার কাছে পড়লে মনে হবে বিরাট আলেমরা লিখেছে। কিন্তু ভালো করে খোঁজ নিলে দেখবেন আসলে সব ভুয়া। কু’রআনকে নিয়ে ইন্টারনেটে গবেষণা ধর্মী আর্টিকেলের কোনো অভাব নেই। বেশিরভাগই হয় বিধর্মীরা ভুয়া মুসলিম নাম দিয়ে (যেমনঃ ডঃ আব্দুল মাসিহ, যা একটি আরব খ্রিস্টান নাম, এর অর্থ ‘যীশুর দাস’) মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করতে লিখেছে, না হয় কোনো অর্ধ শিক্ষিত মুসলিম, যার ইসলামের উপরে কোনো ডিগ্রি নেই, প্রাচীন কু’রআনের আরবি নিয়ে কোনোই জ্ঞান নেই, এমন সব মানুষ শুধুমাত্র নিজের যুক্তি এবং পর্যবেক্ষণ ব্যবহার করে, শুধুই কু’রআনের ইংরেজি অনুবাদের উপর ভিত্তি করে, আর্টিকেলের পর আর্টিকেল লিখেছে। </p>
<p>এধরনের আর্টিকেল পড়তে যতই পাঠ মধুর হোক না কেন, এগুলো লেখার মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের ভেতরে খুব সাবধানে মতপার্থক্য ঢুকিয়ে দেওয়া, যাতে করে মুসলমানরা একে অন্যের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক, বিভেদে জড়িয়ে পড়ে এবং একসময় মুসলিম জাতি বিভিন্ন দলে আলাদা হয়ে পড়ে। এধরনের আর্টিকেল পড়লে দেখবেন আপনার মনের ভিতরে ইসলামের বিভিন্ন নিয়ম-কানুন এবং রীতিনীতি নিয়ে প্রশ্ন, দ্বন্দ্ব এবং আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা ধরণের ’কিন্তু…’ বাড়তেই থাকবে। “কেন আল্লাহ এটা বলল? কেন আল্লাহ এরকম না করে ওরকম করলো না? কেন আল্লাহ শুধুই মেয়েদের জন্য এরকম, কিন্তু ছেলেদের জন্য ওরকম নিয়ম দিলো? …” এই হচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য। আমরা মুসলমানরা নিজেদের মধ্যে যত কামড়াকামড়িতে ব্যস্ত থাকবো, একে অন্যকে ভুল প্রমাণ করতে যত বেশি সময় খরচ করবো, বিধর্মীদেরকে ঠিক তত কম খাটতে হবে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার জন্য।</p>
<p><strong>ভুয়া রেফারেন্স দিয়ে লেখা আর্টিকেল</strong><br />
অনেক সময় দেখবেন আর্টিকেলে কোনো এক মুসলিম ওয়েব সাইটের আর্টিকেলের রেফারেন্স দেওয়া আছে, যেটা কোনো এক প্রসিদ্ধ মাওলানা/শেখ/ডঃ লিখেছেন। কিন্তু আসলে সেই ওয়েবসাইটটিও ওই প্রতারকদেরই বানানো এবং রেফারেন্স দেওয়া সেই আর্টিকেলটিও আসলে ওই প্রতারকদেরই লেখা, প্রসিদ্ধ কারো নাম নকল করে। বিখ্যাত লোকদের নাম ব্যবহার করে ডোমেইন কিনে ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে সেই বিখ্যাত মানুষদের নাম ব্যবহার করে নকল আর্টিকেল লেখাটা এক পুরনো কৌশল।</p>
<p>এছাড়াও অনেক আর্টিকেলে আপনি বানানো বা সন্দেহজনক রেফারেন্স পাবেন, যেই রেফারেন্সগুলো কোনো একাডেমিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে গিয়ে পরীক্ষিত, পরিমার্জিত এবং অনুমোদিত হয়নি, অথবা কোনো যোগ্য আলেমের স্বীকৃতি পায়নি। শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশ করা জার্নাল, প্রসিদ্ধ আলেমের লেখা বই এবং বিখ্যাত আলেমদের দ্বারা পরিচালিত ব্লগ বা ওয়েব সাইটগুলোর রেফারেন্সের সত্যতা যাচাই করে, তবেই সেই আর্টিকেল বা ব্লগগুলো বিশ্বাস করবেন এবং অন্যের কাছে সেগুলো প্রচার করবেন।</p>
<p><strong>আল্লাহ্‌র কুদরত নিয়ে প্রতারণা</strong><br />
ইন্টারনেটে আরেক ধরণের প্রতারণা হল উল্টোপাল্টা কিছু ছবিকে আল্লাহ্‌র কুদরত হিসেবে প্রচার করা। যেমন, নিচের ছবিটি প্রায়ই ফেইসবুকে মানুষকে প্রচার করতে দেখা যায় যেখানে দাবি করা হয় যে এটি কু’রআনে বলা আ’দ জাতির কংকাল, যারা কি না বিশাল দেহী ছিলঃ<br />
<a href="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/ad-skeliton.jpg"><img src="http://i1.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/ad-skeliton.jpg?resize=487%2C400" alt="ad skeliton" class="aligncenter size-full wp-image-4028" data-recalc-dims="1" /></a></p>
<p>কিন্তু আসলে এই ছবিগুলো বানানো। একটি ফটোশপ প্রতিযোগিতায় এই ধরণের ছবিগুলো বানানো হয়েছিল। গিয়ে দেখুন ফটোশপ দিয়ে কি অসাধারণ সব নকল ছবি তৈরি করা যায়।এরকম আরও ভুয়া ছবি দেখবেন যেখানে গরুর চামড়ায় আরবিতে আল্লাহ্‌ লেখা আছে, কোনো গাছ সিজদা দিচ্ছে, কোনো ফলের ভিতরে আল্লাহ্‌ লেখা আছে, কোনো পাহাড় দেখলে মনে হবে সে সিজদা দিচ্ছে, আকাশের মেঘে আরবিতে আল্লাহ্‌র নাম ইত্যাদি। এগুলো কোনটাই বিশ্বাস করবেন না এবং অন্যের কাছে ছড়াবেন না।<br />
<strong>কু’রআনের উদ্দেশ্য প্রণোদিত অনুবাদ</strong><br />
অনেক সময় কু’রআনের অনুবাদ নিয়েও ব্যাপক প্রতারণা দেখা যায়। যেমন নিচে সূরা আসর এর এই অনুবাদটি দেখুনঃ</p>
<p>    By the fleeting time, surely mankind is in continuous loss, except for those who believe, who does righteous deeds, who invite each other to reform and who invite each other to tolerance.</p>
<p>উপরের আয়াতটি যতই সুন্দর মনে হোক না কেন, এটি একটি নকল অনুবাদ। কু’রআনের আয়াতে এমন কোনো শব্দ নেই যা reform, tolerance নির্দেশ করে। এই ধরণের উদ্দেশ্য প্রণোদিত অনুবাদ করে কিছু বিশেষ গোত্র প্রচার করার চেষ্টা করছে যে, ইসলামের অনেক আইনকানুন মধ্যযুগীয়, বর্বর। যেমন, আজকের যুগে হিজাবের কোনো প্রয়োজন নেই; দাঁড়ি রাখাটা ১৪০০ বছর আগের সংস্কৃতি অনুসারে হয়তো প্রয়োজন ছিল, কিন্তু এখন আর নেই; আমাদেরকে সুদের নিয়মগুলো আজকের যুগের অর্থনীতি অনুসারে নতুন করে বিবেচনা করতে হবে; ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড আজকের আধুনিক যুগের আইনি অবকাঠামোর সাথে বেমানান ইত্যাদি। এরকম ইসলামের আইনের মধ্যে নানা ধরণের ‘যুগোপযোগী পরিবর্ধন’ এবং ‘অন্যায়ের প্রতি আরও বেশি সহনীয়’ হওয়ার জন্য তারা নানা মতবাদ প্রচার করে যাচ্ছে, এবং তাদের মতবাদের ভিত্তি হিসেবে কু’রআনের বিশেষ কিছু আয়াতকে তারা নতুন ভাবে অনুবাদ করে তা সমর্থন করার চেষ্টা করছে।</p>
<p>আরেক ধরণের প্রতারণা হচ্ছে কু’রআনের আয়াতের অংশ বিশেষ ব্যবহার করে নানা ধরণের মত সমর্থন করার চেষ্টা করা। যেমন, অনেকে দাবি করে ছেলেদের মুসলমানি করে মহান আল্লাহ প্রদত্ত স্বাভাবিক শারীরিক কাঠামোর বিকৃতি করা হয় এবং এর স্বপক্ষে তারা এই আয়াতটি দেখাবেঃ</p>
<p>    لَا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ ٱللَّهِ<br />
<strong><br />
 আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। [৩০:৩০]</strong></p>
<p>তাদের দাবি হচ্ছে,  মহান আল্লাহ মানুষকে যেভাবে সৃষ্টি করেছেন, তার মধ্যে কোনো পরিবর্তন করা যাবে না। আপাতত দৃষ্টিতে তাদের যুক্তি সঠিক মনে হলেও, আপনি আসলে এখানে একটি আয়াতের অংশ বিশেষ দেখতে পাচ্ছেন। পুরো আয়াতটি হচ্ছেঃ</p>
<p>    তুমি একনিষ্ঠ ভাবে নিজেকে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ। এটাই আল্লাহর প্রকৃতি, যার উপর তিনি মানব সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই সরল ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।[৩০:৩০]</p>
<p>এখানে মহান আল্লাহ মানুষের ভেতরে এক সৃষ্টিকর্তার প্রতি প্রকৃতিগত আনুগত্য [দেখুন সুরা ইখলাস], ইসলামে যে ব্যাপারগুলোকে ভালো বলা হয়েছে, সেগুলোকে ভালো এবং যে ব্যাপারগুলোকে খারাপ বলা হয়েছে, সেগুলোকে খারাপ মনে করা ইত্যাদি যেসব প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্য দিয়ে তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, সেটার যে কোনো পরিবর্তন হয় না, সেটাই তিনি এখানে নির্দেশ করেছেন। আল্লাহ মানুষকে এমন ভাবে প্রোগ্রাম করে সৃষ্টি করেন যে, তার সত্যের প্রতি স্বভাবগত আকর্ষণ সবসময় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তার বাবা-মা, সমাজ এবং সংস্কৃতি তার মগজ ধোলাই করে না ফেলে। এই হচ্ছে এই আয়াতের প্রকৃত অর্থ। এখানে শারীরিক গঠনের কোনো ইংগিত নেই। [তাফসিরঃ মারিফুল কু’রআন পৃষ্ঠা ৭৪০, তাফহিমুল কু’রআন ৩০:৩০, তাফসিরঃ আল-জালালাইন ৩০:৩০]</p>
<p><strong>বিশেষ গোত্রের ওয়েবসাইট</strong><br />
আরেক ধরণের প্রতারণা হল, আপনি মাঝে মাঝে কিছু ইসলামিক ওয়েবসাইট পাবেন,যাতে চমৎকার কিছু ইসলামিক আর্টিকেল দেখতে পাবেন যেগুলো আপনার কাছে মনে হবে ‘ভালোই তো’, কিন্তু এরই মধ্যে এমন কিছু আর্টিকেল পাবেন, যেগুলো বিতর্কিত এবং এক বিশেষ গোত্রের মতবাদ প্রচার করে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম আলেমরা মেনে নেননি। এধরণের ওয়েবসাইটগুলো দেখে আপনি কোনোভাবেই বুঝতে পারবেন না যে, সেই সাইটগুলো আসলে কোনো বিশেষ গোত্রের ওয়েবসাইট, যাদেরকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম উম্মাহ বর্জন করেছে। তাদের সব আর্টিকেলই দেখে মনে হবে যে, তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জাতির প্রতিনিধি, কিন্তু ভালো করে খোঁজ নিলে দেখবেন আসলে তারা হয়তো আহমেদিয়া বা কাদিয়ানী বা কুরানিস্ট।</p>
<p><strong>ইসলামের অপপ্রচারে কোটি কোটি টাকার বাজেট</strong><br />
ইন্টারনেটে প্রতারকের কোনো অভাব নেই এবং ইসলাম নিয়ে প্রতারণার কোনো শেষ নেই। প্রতি বছর শত শত অমুসলিম সংগঠন কোটি কোটি টাকার বাজেট খরচ করছে ইসলামের বিরুদ্ধে ভুয়া, হিংসাত্মক, অশ্লীল, চমকপ্রদ, অলৌকিক তথ্য দিয়ে ইন্টারনেট ভরে দিতে, যা পড়ে মুসলিম এবং অমুসলিম উভয় মানুষরাই ব্যপক বিভ্রান্ত হয়ে ইসলামের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে। শুধুমাত্র আমেরিকাতেই নিচের বিখ্যাত দাতা সংগঠনগুলো ২০০১-২০০৯ সালের মধ্যে ৪২.৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে বই, ওয়েবসাইট, টিভি প্রোগ্রাম, চলচ্চিত্র, ইউটিউব, ফেইসবুক এর মাধ্যমে আমেরিকায় এবং সারা বিশ্বে মানুষের মধ্যে ইসলামের প্রতি আতংক ছড়িয়ে দিয়ে, ইসলাম যে একটি মধ্যযুগীয়, বর্বর, ‘টেররিস্ট বানানোর ধর্ম’ – মানুষের মধ্যে এই ভুল ধারনাগুলো বদ্ধমূল করে দেবার জন্যঃ</p>
<p>    Donors Capital Fund<br />
    Richard Mellon Scaife foundations<br />
    Lynde and Harry Bradley Foundation<br />
    Newton D. &#038; Rochelle F. Becker foundations and charitable trust<br />
    Russell Berrie Foundation<br />
    Anchorage Charitable Fund and William Rosenwald Family Fund<br />
    Fairbrook Foundation</p>
<p>Democracy Now এর নিচের ভিডিও ইন্টার্ভিউটি দেখলে এবং এই রিপোর্টটি পড়লে বুঝতে পারবেন, কত ব্যাপক ভাবে মানুষের মধ্যে ইসলামের প্রতি ভীতি প্রচার করার জন্য এবং মুসলিমদেরকে কোণঠাসা করে রাখার জন্য সরকারের উচ্চপদস্থ নেতা থেকে শুরু করে, বিলিয়নীয়াররা পর্যন্ত সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।</p>
<p>মনে রাখবেন, ইন্টারনেট হচ্ছে শিক্ষিত এবং অত্যন্ত দক্ষ প্রতারকদের জায়গা। এখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে, সবচেয়ে মোক্ষম ভাবে মানুষকে প্রতারিত করা হয়, যেটা অনেক শিক্ষিত, আধুনিক মানুষও ধরতে পারেন না। আপনি নিজেকে যতই বুদ্ধিমান, আধুনিক, বিবেচক মানুষ মনে করুন না কেন, বছরে কয়েক কোটি টাকার বেতন দিয়ে পিএইচডি করা স্কলারদের রাখা হয়েছে, যাদের কাজই হচ্ছে ভুয়া ইসলামিক আর্টিকেল লিখে মুসলমানদেরকে বোকা বানানো, ইসলামের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য প্রচার করে বিধর্মীদেরকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে উস্কে দেওয়ার জন্য বই লেখা, সারা পৃথিবীতে ইসলামের বিরুদ্ধে লেকচার দিয়ে বেড়ানো এবং বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে মগজ ধোলাই করা, যাতে করে তারা ইসলামের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হয়। এদের বই, আর্টিকেল, ওয়েবসাইট, লেকচারে মগজ ধোলাইয়ের শিকার হয়ে অনেক শিক্ষিত, ধার্মিক মানুষ ঘোরতর নাস্তিক হয়ে গেছে। সুতরাং সাবধান!<strong></p>
<p>প্রতারণামূলক ওয়েবসাইট</strong></p>
<p>নিচের ওয়েবসাইটগুলো দেখে যদিও মুসলিমদের ওয়েব সাইট মনে হয়, কিন্তু এগুলো হয় ভুয়া ওয়েবসাইট, যেগুলো হয় মুসলিমদের নাম দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে, না হয় এগুলো বিশেষ কিছু বিতর্কিত মতবাদ প্রচারের ওয়েব সাইট। ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়াবার সময় ভুলেও এই সাইটগুলোতে যাবেন না। এমনকি ইন্টারনেটে অনেক ভুয়া কু’রআনও পাওয়া যাচ্ছে! এছাড়াও আইফোনে, এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে ভুয়া কু’রআনের উপর app পাওয়া যায়।</p>
<p>এখানে আমি এমন কিছু ওয়েব সাইটের নাম দিলাম যেগুলো সাধারণত গুগল সার্চে প্রায়ই আসে এবং এদেরকে দেখে সহজে বোঝা যায় না যে এগুলো ইসলাম বিরোধী ওয়েবসাইট। এরকম শত শত ওয়েব সাইট রয়েছে যেগুলো আপনি গিয়ে একটু ভালো ভাবে চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন তারা আসলে ইসলাম বিরোধী।</p>
<p>    www.answering-islam.org<br />
    www.thequran.com<br />
    www.FaithFreedom.org<br />
    www.Islam-Watch.com<br />
    www.wikiislam.net</p>
<p><strong>উপরের লিংকগুলো অনুগ্রহ করে ক্লিক করবেন না।</strong></p>
<p>এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগে, কেন মানুষ এরকম উঠে পড়ে লেগেছে ইসলামের বিরুদ্ধে? এতো কোটি কোটি টাকা খরচ করে কার কি লাভ হচ্ছে? এর অন্যতম কারণ হচ্ছে পৃথিবীতে মুসলিমরা ‘আশঙ্কাজনক’ হারে বাড়ছে। বর্তমানে পৃথিবীতে ১.৭ বিলিয়ন মুসলিম, খ্রিষ্টান ২ বিলিয়ন। যেভাবেই হোক মুসলিমদের সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া বন্ধ করতে হবে। না হলে খ্রিষ্টান ধর্ম এবং তাদের কোটি কোটি ডলারের বিশাল চার্চ বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। দ্বিতীয় কারণ শারিয়াহ আইন বন্ধ করা। যদি শারিয়াহ আইন কোনো দেশে প্রচলিত হয়, তাহলে মদ, জুয়া, সুদ ইত্যাদি বন্ধ হয়ে যাবে। শুধুমাত্র ব্রিটেনেই বছরে ১৭ বিলিয়ন পাউন্ডের বিয়ার বিক্রি হয়। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে এই সব হারাম ব্যবসার শেয়ার হোল্ডার শত শত বিলিয়নিয়ার এবং হাজার হাজার মিলিয়নিয়ারের ব্যাপক ক্ষতি হবে। সামরিক অস্ত্র তৈরির পিছনে জড়িত হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্যে ব্যাপক ধ্বস নামবে। প্রচলিত হারাম ব্যাংকগুলো বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিতে পড়বে।</p>
<p> এজন্য মাত্র কয়েক শ মিলিয়ন ডলার খরচ করে ইসলামের প্রচারে বাধা দিতে পারলে এবং শারিয়াহ নিষিদ্ধ করে মানুষকে ইসলামিক আইন মানা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলে শেষ পর্যন্ত বিলিয়ন ডলারের লাভ করা যায়। একারণেই পৃথিবীর অনেক বড় বড় মিলিওনিয়ার এবং বিলিয়নিয়াররা কয়েক শ মিলিয়ন ডলার বাজেট বরাদ্দ করে রেখেছে ইসলামের বিরুদ্ধে যে সংগঠনগুলো কাজ করে যাচ্ছে, তাদেরকে যথাসাধ্য অর্থনীতিক সাহায্য দেওয়ার জন্য, কারণ সেই বিলিয়নিয়ারদের কাছে এটা একটি লাভজনক লঙ টার্ম ইনভেস্টমেন্ট</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4027/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>তোমার পালনকর্তা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন:তাদের তুমি উফ্ শব্দও বলবে না</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4017</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4017#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 10 May 2013 07:23:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[কুরআন ও হাদিস]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4017</guid>
		<description><![CDATA[আল্লাহ বলেনঃ আর তোমার পালনকর্তা (কতিপয়) সিদ্ধান্ত দিয়েছেন (তা এই) যে, তোমরা কেবলমাত্র তাঁরই ইবাদাত করবে এবং পিতা-মাতার সাথে সুব্যবহার করবে। যদি তাদের মধ্যে একজন কিংবা দু&#8217;জনই তোমার নিকটে বৃদ্ধ বয়সে অবশ্যই পৌঁছে যায় তাহলে (তাদের খিটখিটে ব্যবহারে বিরক্ত হয়ে) এবং তাদের ধমকও দেবে না। আর তাদের জন্য তুমি সম্মানজনক কথা বলবে এবং তাদের জন্য দয়ার মধ্য থেকে নম্রতার বাহু ঝুঁকিয়ে দাও। আর তাদের জন্য দুআ করবে, হে আমার পালনকর্তা, তাদের দু&#8217;জনের ওপর ঐরূপ দয়া কর, যেরূপ তারা আমাকে ছোট বেলায় লালন-পালন করেছিলেন (সূরা বানী ইসরাইল, ২৩-২৪ আয়াত)।]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/Mother_and_son1.jpg"><img src="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/Mother_and_son1.jpg?resize=644%2C308" alt="Mother_and_son1" class="aligncenter size-full wp-image-4018" data-recalc-dims="1" /></a><br />
আল্লাহ বলেনঃ আর তোমার পালনকর্তা (কতিপয়) সিদ্ধান্ত দিয়েছেন (তা এই) যে, তোমরা কেবলমাত্র তাঁরই ইবাদাত করবে এবং পিতা-মাতার সাথে সুব্যবহার করবে। যদি তাদের মধ্যে একজন কিংবা দু&#8217;জনই তোমার নিকটে বৃদ্ধ বয়সে অবশ্যই পৌঁছে যায় তাহলে (তাদের খিটখিটে ব্যবহারে বিরক্ত হয়ে) এবং তাদের ধমকও দেবে না। আর তাদের জন্য তুমি সম্মানজনক কথা বলবে এবং তাদের জন্য দয়ার মধ্য থেকে নম্রতার বাহু ঝুঁকিয়ে দাও। আর তাদের জন্য দুআ করবে, হে আমার পালনকর্তা, তাদের দু&#8217;জনের ওপর ঐরূপ দয়া কর, যেরূপ তারা আমাকে ছোট বেলায় লালন-পালন করেছিলেন (সূরা বানী ইসরাইল, ২৩-২৪ আয়াত)।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4017/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>দুই হাজার বছর আগে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল পম্পেই নগরীতে</title>
		<link>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4014</link>
		<comments>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4014#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 10 May 2013 07:14:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইসলাম ও আমরা</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইসলামিক নিবন্ধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://pchelplinebd.com/Islam/?p=4014</guid>
		<description><![CDATA[২০০০ বছর আগে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল ইতালীর পম্পেই নগরীতে। সেখানে ২০ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। নগরিটি ছিল সুন্দর-আনন্দপূর্ণ পরিবেশের স্থান। সেখানকার অধিবাসীরা পাওয়ার আনন্দে হয়ে উঠলো লোভী, অন্যায় কর্মে হয়ে পড়লো নিমজ্জিত। অশ্লীলতা ও বেহায়াপনায় আকৃষ্ট হয়ে গেল। দেব-দেবী ও মূর্তি পুজায় জড়িয়ে পড়লো। একসময় তাদের ওপর নেমে আসে উত্তপ্ত লাভার স্রোত। কয়েক মিনিটের মধ্যে সবকিছু নিভে যায়। জি এম মুজিবুর রহমান ভূমিকম্প নিয়ে বিশ্বব্যাপী কম আলোচনা হচ্ছেনা। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বিশ্বে বহু দেশ ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে। খরচ করা হচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘর-বাড়ি-স্থাপনা নির্মাণের পেছনে। বাংলাদেশের বিষেজ্ঞরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আসছেন যে, ঢাকা শহরের অধিকাংশ অট্টালিকা-বাড়ি হুমকির মধ্যে রয়েছে, মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প হলেই যা নিমিষে ধ্বংসলিলায় পরিণত হতে পারে। বিশ্ববাসীর সামনে দুর্যোগ-দুর্গতির অনেক নিদর্শন রয়েছে। আজও মানুষ শিউরে ওঠে যখন ইটালির পম্পেই নগরীর বিপর্যয়, হযরত লূত ও নূহ (আ.)-এর জাতির ওপর গযব এবং সামপ্রতিক সময়ের ভূমিকম্প-সুনামী ও এর প্রভাবে প্রলয়ংকরী বিপর্যয়ের দৃশ্য স্মরণ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে পৃথিবীতে প্রতি ২ মিনিটে ১বার করে ভূমিকম্প ভূ-পৃষ্টকে আঘাত দিয়ে আসছে। আর এই ভূ-কম্পনের ফলে মানুষ ও পৃথিবীর অসংখ্য প্রাণি-সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এগুলোকে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে ধারণা করলে হবে না; প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টিকারী মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের তরফ [...]]]></description>
				<content:encoded><![CDATA[<p><strong>২০০০ বছর আগে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল ইতালীর পম্পেই নগরীতে। সেখানে ২০ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। নগরিটি ছিল সুন্দর-আনন্দপূর্ণ পরিবেশের স্থান। সেখানকার অধিবাসীরা পাওয়ার আনন্দে হয়ে উঠলো লোভী, অন্যায় কর্মে হয়ে পড়লো নিমজ্জিত। অশ্লীলতা ও বেহায়াপনায় আকৃষ্ট হয়ে গেল। দেব-দেবী ও মূর্তি পুজায় জড়িয়ে পড়লো। একসময় তাদের ওপর নেমে আসে উত্তপ্ত লাভার স্রোত। কয়েক মিনিটের মধ্যে সবকিছু নিভে যায়।</strong><br />
<a href="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/pompei-city-destruction-by-allah.jpg"><img src="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/pompei-city-destruction-by-allah.jpg?resize=540%2C600" alt="pompei city destruction by allah" class="aligncenter size-full wp-image-4020" data-recalc-dims="1" /></a><br />
জি এম মুজিবুর রহমান<br />
ভূমিকম্প নিয়ে বিশ্বব্যাপী কম আলোচনা হচ্ছেনা। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বিশ্বে বহু দেশ ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে। খরচ করা হচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘর-বাড়ি-স্থাপনা নির্মাণের পেছনে। বাংলাদেশের বিষেজ্ঞরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আসছেন যে, ঢাকা শহরের অধিকাংশ অট্টালিকা-বাড়ি হুমকির মধ্যে রয়েছে, মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প হলেই যা নিমিষে ধ্বংসলিলায় পরিণত হতে পারে। বিশ্ববাসীর সামনে দুর্যোগ-দুর্গতির অনেক নিদর্শন রয়েছে। আজও মানুষ শিউরে ওঠে যখন ইটালির পম্পেই নগরীর বিপর্যয়, হযরত লূত ও নূহ (আ.)-এর জাতির ওপর গযব এবং সামপ্রতিক সময়ের ভূমিকম্প-সুনামী ও এর প্রভাবে প্রলয়ংকরী বিপর্যয়ের দৃশ্য স্মরণ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে পৃথিবীতে প্রতি ২ মিনিটে ১বার করে ভূমিকম্প ভূ-পৃষ্টকে আঘাত দিয়ে আসছে। আর এই ভূ-কম্পনের ফলে মানুষ ও পৃথিবীর অসংখ্য প্রাণি-সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এগুলোকে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে ধারণা করলে হবে না; প্রাকৃতিক বিপর্যয় সৃষ্টিকারী মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের তরফ থেকে বিপর্যয় এসে থাকে— এবিশ্বাসও রাখতে হবে। ভাল-মন্দ, পাপ-পূণ্য, শান্তি-শাস্তি, আযাব-গযব বলে অনেক কথা রয়েছে। তেমনি ভূমিকম্পও এর অংশ এবিশ্বাস না থাকলে সকল হিসেব গরমিল হয়ে যাবে। </p>
<p>আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, <strong>&#8220;আমি মানুষকে অতীব উত্তম গঠনে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর আমি তাকে উল্টা সর্বনিম্নে পৌঁছে দিয়েছি। তবে যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে। তাদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন প্রতিদান রয়েছে। অতএব হে নবী! এ অবস্থায় প্রতিদান ও শাস্তির ব্যাপারে আপনাকে কোন ব্যক্তি মিথ্যা মনে করে অমান্য করতে পারে? আল্লাহ কি সব বিচারকদের তুলনায় অধিক বিচারক নন?</strong> (সূরা আত-ত্বীন—৪-৮)। অন্যত্র বলেন, &#8220;আমি এমন কোন জনপদ ধ্বংস করি নাই যার জন্য সতর্ককারী ছিলো না; ইহা উপদেশ স্বরূপ, আর আমি অন্যায়াচারী নই&#8221; (সূরা শু&#8217;আরা-২০৮ ও ২০৯)। মানুষকে উত্তম করে সৃষ্টি করা হয়েছে, কিন্তু যখন তারা অন্যায়-অপকর্মে নিমজ্জিত হয়, নেক আমল থেকে দূরে সরে যায় তখন তাদের ওপর নেমে আসে বিপর্যয় ও শাস্তি। কারণ মানুষ ঐসব দেখে উপদেশ গ্রহণ করতে পারে, নিজেদেরকে শুধরে নিতে পারে। ইতিহাস থেকে দেখা যায়, মানুষ যখন বারবার অপকর্ম করতে থাকে, অন্যায় ও পাপে আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে পড়ে তখন তাদেরকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু যখন সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, অবস্থা মারাত্মক রূপ নিয়েছে তখন নেমে এসেছে তাদের ওপর বিপর্যয়কর শাস্তি।<br />
<a href="http://i0.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/pompei-deadbodies-text.jpg"><img src="http://i2.wp.com/pchelplinebd.com/Islam/wp-content/uploads/2013/05/pompei-deadbodies-text.jpg?resize=601%2C501" alt="pompei deadbodies text" class="aligncenter size-full wp-image-4025" data-recalc-dims="1" /></a><br />
২০০০ বছর আগে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল ইতালীর পম্পেই নগরীতে। সেখানে ২০ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। নগরিটি ছিল সুন্দর-আনন্দপূর্ণ পরিবেশের স্থান। সেখানকার অধিবাসীরা পাওয়ার আনন্দে হয়ে উঠলো লোভী, অন্যায় কর্মে হয়ে পড়লো নিমজ্জিত। অশ্লীলতা ও বেহায়াপনায় আকৃষ্ট হয়ে গেল। দেব-দেবী ও মূর্তি পুজায় জড়িয়ে পড়লো। একসময় তাদের ওপর নেমে আসে উত্তপ্ত লাভার স্রোত। কয়েক মিনিটের মধ্যে সবকিছু নিভে যায়। হযরত নূহ (আ.) ৪৮০ বছর বয়সে নবুয়ত প্রাপ্ত হন এবং ৪৭০ বছর দাওয়াতী কাজ করেন। কিন্তু তার কওমের হাতেগণা কয়েকজন ব্যতীত কোন লোকজন সাড়া দেয়নি। এমনকি তাঁর নিজের ৪ পুত্রের মধ্যে ৩ জন ঈমান আনলেও অপরজন বেঈমান হয়ে গিয়েছিল। কুরআনের ভাষায়, &#8220;আমি যখনই তাদেরকে আহবান করি যাতে তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর, তারা কানে অঙ্গুলি দেয়, বস্ত্রাবৃত করে নিজেদেরকে ও জিদ করতে থাকে এবং অতিশয় ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে&#8221; (সূরা নূহ-৭)। নূহ (আ.)-এর কওমের লোকেরা এতটা অবাধ্য হয়ে পড়লো যে, তাদের ওপর আল্লাহর গযবের সম্ভাবনার কথা বললেও কর্ণপাত করলো না। </p>
<p>আল্লাহর নির্দেশে নূহ (আ.) নৌকা তৈরি করলেন আর তারা উপহাস করতে লাগলো। আসমানী হুকুম আসলো, &#8220;সর্বপ্রকার জোড়ার দু&#8217;টি করে এবং যাদের ওপরে পূর্বেই হুকুম নির্ধারিত হয়ে গেছে, তাদের বাদ দিয়ে তোমার পরিবারবর্গ ও সকল ঈমানদারগণকে নৌকায় তুলে নাও&#8221; (সূরা হুদ-৪০)। এরপরই শুরু হয় মহা বিপর্যয়— নদীর প্লাবন ও বিরামহীন বৃষ্টিপাত। কেবলমাত্র নূহ (আ.)-এর নৌকায় আরোহনকারীরা ব্যতীত সবকিছুই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল সেই দুর্যোগ ও বিপর্যয়ে। পবিত্র কুরআনের ভাষায়, &#8220;আমি তো নূহকে তার সমপ্রদায়ের নিকট প্রেরণ করেছিলাম। সে তাদের মধ্যে অবস্থান করেছিল পঞ্চাশ কম হাজার বছর। অতঃপর প্লাবন তাদেরকে গ্রাস করে; কারণ তারা ছিল সীমালংঘনকারী। অতঃপর আমি তাকে এবং যারা তরণীতে আরোহণ করেছিল তাদেরকে রক্ষা করলাম এবং বিশ্বজগতের জন্য একে করলাম একটি নিদর্শন&#8221; (সূরা আনকাবুত-১৪ ও ১৫)। হযরত লূত (আ.)-এর কওমের ওপরও এসেছিল মহা দুর্যোগ। আজকের দিনে এটি ঘটলে আমরা এটিকেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে হয়তো চালিয়ে দিতাম— গযব মানতে চাইতাম না। তাঁর কওমের লোকেরা চরম অবাধ্য হয়ে পড়লো। কেবল অবাধ্যই নয় বরং সাথে সাথে নোংরামীপনায় চরম পরাকাষ্টা প্রদর্শণ করে। </p>
<p>পবিত্র কুরআনের ভাষায়, &#8220;তোমরা এমন অশ্লীল কাজ করছো, যা তোমাদের পূর্বে পৃথিবীর কেউ কখনো করেনি। তোমরা কি পুংমৈথুনে লিপ্ত আছ, রাহাজানি করছো এবং নিজেদের মজলিসে প্রকাশ্যে গর্হিত কর্ম করছো? জবাবে তাঁর সমপ্রদায় কেবল একথা বললো যে, আমাদের ওপরে আল্লাহর গযব নিয়ে এসো, যদি তুমি সত্যবাদী হও। তিনি তখন বললেন, হে আমার পালনকর্তা! এই দুষকৃতিকারী সমপ্রদায়ের বিরুদ্ধে তুমি আমাকে সাহায্য করো&#8221; (সূরা আনকাবুত— ২৮-৩০)। হযরত লূত (আ.)-এর কওমের অনাচার-দুরাচার ছিল খুবই ভয়াবহ। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (স.) সেই ভয়াবহ নির্লজ্জতা নিজের উম্মতের মধ্যে অনুপ্রবেশ করা নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেছেন এভাবে, &#8216;আমি আমার উম্মতের জন্য সবচেয়ে (ক্ষতিকর হিসাবে) ভয় পাই লূত জাতির কুকর্মের&#8217; (তিরমিযি, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৩৫৭৭)।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://pchelplinebd.com/Islam/archives/4014/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

<!-- Served from: pchelplinebd.com @ 2013-05-18 22:55:41 by W3 Total Cache -->